বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৮


শিক্ষামন্ত্রী কি আদৌ সরে দাঁড়াবেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়দ ফয়জুল আল আমীন

সরকার চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সর্বশেষ কিছু সময়ের জন্য ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিদিন পরীক্ষার শুরুর দুই ঘণ্টা আগে থেকে পরের আড়াই ঘণ্টা ইন্টারনেটের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

অবশ্য ইন্টারনেটের গতি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার একদিন পর আজ সোমবার সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ-সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে। যে আদেশ বাস্তবায়নের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টা ইন্টারনেট গতি কমিয়ে রাখা হয়েছিল।

আদেশে বলা হয়েছিল, কাল (১২ ফেব্রুয়ারি) সোমবারসহ আগামী ১৩, ১৫, ১৭, ১৯, ২০, ২২, ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখতে হবে।

আর ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই বেলা পরীক্ষা থাকায় একবার সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা এবং পরে দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত কম থাকবে ইন্টারনেটের গতি।

একুশে বইমেলার যে কোনো বই ঘরে বসে পেতে অর্ডার করুন

প্রসঙ্গত, নানা নজরদারির পরও চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি পরীক্ষার আগে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে ফাঁস করা হচ্ছে প্রশ্ন, যার সঙ্গে পরে মিল পাওয়া যাচ্ছে পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্রের।

অবশ্য গত দু-তিন দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ফাঁস হওয়া প্রশ্নসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। কিন্তু তাতে কি আর ‘সার্কাস’ বন্ধ হয়?

এবারের এসএসসি পরীক্ষার শুরুর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পরীক্ষা চলাকালে ফেসবুক বন্ধ রাখার। এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে সমালোচনা হলে পরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ফেসবুক বন্ধ নয়, অনলাইন নজরদারির জন্য বিটিআরসির সহযোগিতা চেয়েছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ তখন বলেছিলেন, এ পরীক্ষা নিরাপদ রাখতে মানুষের পক্ষে যা যা করা সম্ভব, এবার তাই করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে কেউ রেহাই পাবে না। কী হবে আমি নিজেও বলতে পারি না। তবে চরম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএসসি ও সমমানের ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর পরীক্ষা চলছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে-পরীক্ষা শেষ করে শিক্ষার্থীরা জানতে পারছে, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই অনেকের হাতে প্রশ্ন চলে গেছে।

পরীক্ষার আগে এখন ফেসবুকের মেসেঞ্জার, ভাইবার ও ইমোতে প্রশ্ন ‘ঘোরাফেরা’ করে। মাত্র ৩০০ টাকা কিংবা ১৫০ টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন পাওয়া যাচ্ছে। আবার কোনো কোনো প্রশ্ন বিক্রেতা কি-