আতাউর রহমান খসরু: তাবলিগ জামাতের অন্যতম মুরব্বি ও দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভিকে ঘিরে চলমান সংকটের রেশ ছড়িয়ে পড়ছে সবখানে। এতে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দাওয়াত ও তাবলিগের কাজ, তেমনি উদ্বেগ বাড়ছে উলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মুসলিমের মনে।
দারুল উলুম দেওবন্দসহ বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের উলামায়ে কেরামের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাবলিগ জামাত নিয়ে উদ্বেগ দিনে দিনে উৎকণ্ঠায় পরিণত হচ্ছে। সমাধানের পরিবর্তে আরও জটিল হচ্ছে সমস্যা। ক্রমশ কঠোর অবস্থানের দিকে যাচ্ছেন উভয় পক্ষ।
একদিকে মাওলানা সাদের অনুসারীগণ যেমন ‘হজরতজিকে না মানলে দেওবন্দ মানি না’ বলার দুঃসাহস দেখাচ্ছে, অন্যদিকে তাকে ঘিরে আরও বড় ধরনের ফেৎনার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কোনো কোনো উলামায়ে কেরাম।
গত ৩১ জানুয়ারি দারুল উলুম দেওবন্দ মাওলানা সাদ কান্ধলভির রুজুনামার ব্যাপারে যে বিবৃতি প্রকাশ করেছে তাতে এমন আশঙ্কাই প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘আমরা মনে করি, আকাবিরদের চিন্তা ও আদর্শ থেকে সামান্য বিচ্যূতিও তীব্র ক্ষতির কারণ। মাওলানাকে অবশ্যই নিজ বয়ানে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্বসূরীদের পথ এড়িয়ে শরিয়তের ভাষ্য থেকে নিজস্ব (মতমতো) ইজতিহাদের এই ধারাবাহিকতা বন্ধ করতে হবে। কেননা মাওলানার এই মূলচ্যূত ইজতিহাদ দেখে আমাদের মনে হচ্ছে, আল্লাহ না করুন! তিনি এমন একটি দলের সৃষ্টি করছেন, যা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআত; বিশেষত আমাদের পুণ্যাত্মা পূর্বসূরীদের মতাদর্শ বিরোধী হবে। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে আকাবির-আসলাফের পথের ওপর অবিচল রাখুন।’
দারুল উলুম দেওবন্দের এ ঘোষণা উলামায়ে কেরামের ভেতর নতুন ভাবনা সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের উলামায়ে কেরামও এ বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। বরাবরের মতো এবারও তারা দারুল উলুম দেওবন্দের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেছেন, মাওলানা সাদ কান্ধলভির উচিৎ দীনি কাজের ব্যাপারে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করে আকাবির ও আসলাফের পথে ফিরে আসা।
কাকরাইল শুরার অন্যতম উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্à