রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩০ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘হজ বিষয়ক সিদ্ধান্তে সরকারের উচিত হাবের পরামর্শ নেয়া’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আতাউর রহমান খসরু: হজ নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই বাংলাদেশি হাজিদের। হজের প্রস্তুতি, মেডিকেল টেস্ট ও দেশত্যাগ থেকে শুরু করে সৌদি আরবে অবস্থানরত অবস্থায় নানা হয়রানির শিকার হন তারা।

এ অভিযোগ চলছে যুগ যুগ ধরে। কিন্তু তার কোনো সমাধান নেই। উল্টো প্রতিবছর যোগ হয় নতুন নতুন সমস্যা। যেমন গতবছর হজযাত্রীদের বিমানফ্লাইটের সিডিউল নিয়ে সীমাহীন বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। একইভাবে নিবন্ধন করেও হজে যেতে পারছেন না বহু যাত্রী।

এসব সমস্যার মধ্যেই গত ১৪ জানুয়ারি সৌদি আরব সরকারের সঙ্গে চলতি বছরের হজ চুক্তি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ। চুক্তির অনুষ্ঠানে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও সৌদি আরবের হজ বিষয়ক মন্ত্রী ড. সালেহ তাহের বিন বানতেন।

চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে এ বছর হজে যেতে পারবেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। তার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার ১৯৮ জন।

নতুনচুক্তিতে বাংলাদেশি হাজিদের সমস্যার কতোটা লাঘব হবে তা জানতে কথা বলেছিলাম হজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর ঢাকা জোনের কমিটি সদস্য ও জীবন ট্রাভেলস লিমিটেড-এর এমডি মুফতি আবদুল কাদের মোল্লা’র সঙ্গে।

আওয়ার ইসলাম : এবারের হজচুক্তির আগে সরকারের কাছে আপনাদের প্রধান প্রত্যাশা কী ছিলো? তা কী পেয়েছেন?

মুফতি আবদুল কাদের মোল্লা : আমাদের মূল প্রত্যাশা ছিলো বাংলাদেশি হাজিদের কোটা বাড়ানো। প্রতিবছর সৌদি আরব সরকার নিয়মতান্ত্রিকভাবে হজযাত্রীদের কোটা সম্প্রসারিত করছেন। কিন্তু বাংলাদেশে হজযাত্রীদের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তা যথেষ্ট নয়।

আমরা শুনেছি মাননীয় মন্ত্রী কোটা বাড়ানোর জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে আবেদন করেছেন। আশা করছি, সৌদি সরকার তাতে সাড়া দেবেন।

আওয়ার ইসলাম : হজযাত্রীদের কোটা বাড়ানো প্রয়োজন কেনো?

মুফতি আবদুল কাদের মোল্লা : কারণ, হজযাত্রীদের সংখ্যা বাংলাদেশে দিনদিন বাড়ছে। আর বাড়তি চাহিদার কারণে অনেকেই অসততার আশ্রয় নিচ্ছে। তাতে হজযাত্রীদের হয়রানি বাড়ছে। ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হচ্ছে।

আওয়ার ইসলাম : এবারের চুক্তিতে আপনাদের অন্য কোনো প্রত্যাশা কি পূরণ হলো? বা হাজিদের জন্য কোনো সুসংবাদ আছে?

মুফতি আবদুল কাদের মোল্লা : না, আমাদà