বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাদার ছায়া, চাচার ভালোবাসা এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছেলে-মেয়েদের আলাদা ক্লাসরুম চালুর দাবি ছাত্র জমিয়তের কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু চা শ্রমিকদের সুরক্ষায় ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পরিবহনের পাশাপাশি সর্বক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জ্বালানি সংকট সমাধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাতারে প্রতিনিধি দল ‘রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতির পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়’ দেশের ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইসলামপন্থীরা নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্নীতিবাজরা জনপ্রতিনিধি হবে: আমিরে মজলিস

শিশুদের হিজাব-রোজার ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি ব্রিটিশ স্কুলের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : রাষ্ট্রীয় তহবিলে চলা একটি ব্রিটিশ স্কুল রমজানের সময় শিশুদের হিজাব ও রোজা রাখার ওপর সরকারকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে ।

২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো পূর্ব লন্ডনের নেউহামের একটি স্কুল  আট বছরের কম বয়সী মেয়ে শিশুদের ওপর হিজাব নিষিদ্ধ করে। তারা ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১১ বছরের কম বয়সী মেয়ে শিশুদের জন্য হিজাব নিষিদ্ধ করতে চায়।

রমজান মাসের রোজা রাখার বিষয়েও কঠোর নিয়ম আরোপ করেছিল স্কুলটি। বিশেষ করে গ্রীষ্মের সময় ১৮ ঘণ্টা ধরে রোজা রাখাটা শিশুদের জন্য  কষ্টকর দাবি করে এই পদক্ষেপ নেয় তারা।

সেন্ট স্টিফেন স্কুলের প্রিন্সিপাল নিনা লালও ভারতীয় বংশোদ্ভূত। স্কুলের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীই ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নাগরিক।

রমজান মাসে শিশুদের হিজাব পরা বা রোজা রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা আনা হলে তা অনেক অভিভাবকই ভালোভাবে নেবেন না। তাই নিনা চান এ বিষয়ে সরকারই কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

সানডে টাইমকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে সেন্ট স্টিফেন স্কুলের গভর্নর চেয়ারম্যান আরিফ কায়ি বলেন, যথাযথ কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে। রোজার সময় কতক্ষণ স্থায়ী হবে সে বিষয়ে সব স্কুলকেই জানাতে হবে। একইভাবে হিজাবের ক্ষেত্রেও তাই। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত না। এটা শিক্ষক বা গভর্নরদের জন্য উচিত নয়। তাহলে কেন আমরা এর দায়ভার নেব?

তিনি জানিয়েছেন, কয়েকজন অভিভাবক ছাড়া বাকিরা সবাই স্কুলের সিদ্ধান্তে খুশি হয়েছেন। আমরাতো শিশুদের একেবারেই রোজা না রাখতে বলিনি। বরং আমরা তাদের ছুটির দিনে রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছি। কারণ তাদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদেরই।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ