বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

২১ দফা দাবিতে উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গাদের ফেস্টুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইকবাল আজিজ
টেকনাফ প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও এর আশপাশে হঠাৎ করেই রোহিঙ্গাদের ২১ দফা দাবি সম্বলিত ব্যানারে ছেয়ে গেছে। ক্যাম্পের ভেতরে বাইরে প্রধান সড়কের পাশে এবং দর্শনীয় স্থানে লাগানো হয়েছে এ ব্যানার।

‘আমাদের ২১ দফা মানতে হবে’ রোহিঙ্গা অধিকার প্রতিষ্ঠা কমিটি, প্রতিষ্ঠা ২৫ আগস্ট ২০১৭, আবেদনে সকল রোহিঙ্গা জনগণ শিরোনামে ২টি ছবি ও লোগো সম্বলিত প্রচারিত ব্যানারে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় ২১ দফা উল্লেখ করা হয়েছে।

গতকাল সকালে সবার নজরে পড়ে ২১ দফার এ ব্যানার। ৯ অক্টোবর সোমবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে কে বা কারা এ ব্যানার তৈরি করেছে বা লাগিয়েছে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সাধারণত ডিজিটাল ব্যানারে প্রেসের ঠিকানা থাকে। কিন্ত এ ব্যানারে ঠিকানাও নেই। তাছাড়া দিনভর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনুসন্ধান করেও কথিত রোহিঙ্গা অধিকার প্রতিষ্ঠা কমিটির খোঁজ মিলেনি।

২১টি দফা দাবি সম্বলিত বড় বড় ডিজিটাল এ ব্যানার সবার নজর কাড়লেও ব্যানারগুলো কে বা কারা তৈরি করেছেন সেটা কেউ স্বীকার করেনি।

রোহিঙ্গারা এখনও আসছে। যারা এসেছেন তারা এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। সবার ন্যুনতম মাথা গোঁজার ঠায় হয়নি। সরকারিভাবে শরণার্থীর মর্যাদা দেয়া হয়নি। এমতাবস্থায় ২১ দফা দাবি বাস্তবায়নের ব্যানার প্রচার স্থানীয় সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।

২১টি দফার দাবি সম্বলিত বড় বড় ডিজিটাল এ ব্যানার ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষায় লেখা। প্রথম লাইন লাল কালিতে ইংরেজি এবং ২য় লাইন কাল কালিতে বাংলায়।

২১ দফা দাবিগুলো হচ্ছে-
১. সকল রোহিঙ্গা জনগণকে বাধ্যতামূলক নাগরিক অধিকার দিতে হবে ও বার্মা সরকারের পক্ষ থেকে কোন শর্ত না দিয়ে আমাদের ফিরিয়ে নিতে হবে।

২. রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আগে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর যেগুলো আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তার সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ সরকারিভাবে করতে হবে।

৪. রোহিঙ্গাদের সকল শিক্ষার অধিকার দিতে হবে।

৫. রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরের জমিজমা কোন শর্ত ছাড়াই কাগজে-কলমে ফেরৎ দিতে হবে।

৬. রোহিঙ্গাদের পুরানো নাম আরাকান স্টেট দিতে হবে।

৭. রোহিঙ্গাদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা বাণিজ্যের অধিকার দিতে হবে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের মালামালের নিরাপত্তা দিতে হবে।

৮. আরাকানে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা বিচার ব্যবস্থা করতে হবে। জজ, ম্যাজিস্ট্রেট রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে দিতে হবে।

৯. রোহিঙ্গাদের ধরে ধরে জেল