মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

গণহত্যার প্রতিবাদে মিয়ানমার ফুটসাল দলের কোচের পদত্যাগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হামিম আরিফ: আরাকানে রোহিঙ্গাদের হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ হচ্ছে সারা বিশ্বে। এরই রেশ ধরে মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর চলমান বর্বরতার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন দেশটির ফুটসাল (ফুটবলের সংক্ষেপ সংস্করণ) দলের কোচ রেজা কুর্দি।

গত এপ্রিলে মিয়ানমার জাতীয় ফুটসাল দলের ভার নিয়েছিলেন ইরানের নাগরিক কুর্দি। তবে রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান নির্যাতনে চুপ করে থাকতে পারেননি তিনি। কোচের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন।

কুর্দির পদত্যাগের প্রশংসা করেছেন ইরানের ন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির সভাপতি কিউমারস হাশেমি।

এক সাক্ষাৎকারে পদত্যাগের বিষয়ে কুর্দি বলেন, ফিফা সনদে বলা আছে- ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ইস্যু ও মতাদর্শ খেলাধুলা থেকে পৃথক রাখতে হবে। তাই মিয়ানমার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের এ গণহত্যা কোনোভাবেই সহ্য করা সম্ভব নয়। তাই আমি কোচের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করে এ হত্যার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানালাম।

সুচির কাছে ড. ইউনূসের ৭ প্রস্তাব

আওয়ার ইসলাম : নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস অং সান সুচিকে শান্তির পথ বেছে নেয়ার আহবান জানিয়েছেন। শান্তির পথ বেছে নিতে ৭টি প্রস্তাবও পেশ করেছেন তিনি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ‘দ্য ন্যাশনাল’-এ লেখা এক নিবন্ধে তিনি মিয়ানমারের প্রভাবশালী নেতার প্রতি এ আহবান জানান।

তিনি সুচিকে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার সুনিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৭টি প্রস্তাব হলো, ১.কফি আনান কমিশন হিসেবে পরিচিত অ্যাডভাইজার কমিশন অব রাখাইন স্টেট (এসিআরএস) এর সুপারিশকৃত পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা।

২. মিয়ানমারে সহিংসতা নিরসনে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ ও রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ থেকে বিরত রাখা।

৩. মিয়ানমারের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঞ্চলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নিয়মিত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।

৪. মিয়ানমার ত্যাগকারী রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করা।

৫. মিয়ানমারের ভেতরে শরণার্থী শিবির তৈরি করা এবং জাতিসংঘের অর্থায়নে ও তত্ত্বাবধানে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।

৬. এসিআরএসের প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়া।

৭. মিয়ানমারের সব নাগরিককে রাজনৈতিক ও চলাফেরার মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়া।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ