শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮


হজযাত্রীদের খাওয়া-দাওয়া কেমন হওয়া উচিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : প্রতিবছর আমাদের দেশ থেকে বেশ কিছুসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরবে যান পবিত্র হজব্রত পালনের জন্য। হজে যাওয়া আর বিদেশ ভ্রমণের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। কারণ, ভ্রমণের সময় থাকা-খাওয়া-বেড়ানো ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। কিন্তু হজের সময় নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে বেশ কিছু ধর্মীয় কর্তব্য পালন করতে হয়।

যে বয়সেই হজ করতে যান না কেন, যদি শরীর সুস্থ না থাকে, তাহলে ইবাদত করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। এমনকি কিছু কিছু ফরজ কাজও বাদ পড়ে যেতে পারে। সুতরাং, যাত্রার আগেই চিন্তা করে নেবেন কীভাবে যতটা সম্ভব সুস্থ থাকবেন। এ ব্যাপারে কয়েকটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।

অতিরিক্ত আহার : এ সময় প্রচুর হাঁটাহাঁটি ও ইবাদত করতে হয়। ভিড়ের সময় কাবা শরিফের কাছাকাছি রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ইচ্ছা করলেই গাড়িতে যাতায়াত করা যায় না। ফলে ক্যালরি ব্যয় হয় প্রচুর। এসব কারণে অনেকেই বেশি বেশি খেয়ে থাকেন দেহে শক্তি সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে। কিন্তু দেখা যায়, শক্তি লাভের পরিবর্তে অতিভোজন বদহজমের সৃষ্টি করে, যা সত্যিই একটা যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার। কারণ, পাকস্থলি যতখানি খাবার পরিপাক করতে পারে, তার বেশি হলেই বদহজম হয়ে থাকে। এতে পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া, বমি, মাথাব্যথা, পেটে ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। ফলে নির্বিঘ্নে ইবাদত করা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং, খাবার চাহিদার তুলনায় কিছু বেশি হবে, তবে অতিরিক্ত নয়।

স্বল্প আহার : অনেকে এতই কম খান যে, শরীরের স্বাভাবিক সার্মথ্যটুকুও হারিয়ে ফেলেন। হজের ব্যাপারটি এক-দুই দিনের নয়। টানা ২০-৪০ দিন পর্যন্তও মানুষকে ব্যস্ত থাকতে হয়। এসব বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ক্যালরিযুক্ত খাবার অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। যাদের ভাত-রুটি কম খাওয়ার অভ্যাস, তারা মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল অর্থাৎ, আমিষজাতীয় খাদ্য একটু বেশি খাবেন। অপর্যাপ্ত আহারের ফলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দেখা দেয়। এর ফলে কোনো কাজেই শক্তি ও উৎসাহ পাওয়া যায় না।

হজের সময় দীর্ঘপথ হাঁটা, তাওয়াফ (সাতবার কাবা শরিফ প্রদক্ষিণ), সায়ি (সাফা থেকে মারওয়া সাতবার দৌড়ানো), সালাত ইত্যাদি সঠিকভাবে পালন করার জন্য শরীরে শক্তি থাকা একান্ত জরুরি। এদিকে মদিনা শরিফে মসজিদে নববিতে ৪০ রাকাত নামাজ আদায় করতে পারলে আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত পাওয়া সম্ভব হয়। সুতরাং, ওই সুযোগ কেউই ছাড়তে চান না।

অনেক সময় দেখা যায়, কোনো কোনো হজ এজেন্সি সকালের নাশতার ব্যবস্থা রাখে না। এর ফলে মক্কা-মদিনায় গিয়ে হাজিরা বেশ বিপাকে পড়ে যান। অনেকে পয়সা খরচ করে বাইরে খেতে চান না অথবা খুব কম খান। আবার অনেকে ভেবে পান না কী আহার করবেন, কোথায় করবেন।

এমনও দেখা যায়, অনেকে সকালে না খেà§