বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


শিগগির ইসলামি দলগুলোর নির্বাচনী জোট!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হুমায়ুন আইয়ুব : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে সমমনা ইসলামি দলগুলোর নির্বাচনী জোটের প্রক্রিয়া চলছে, শিঘ্রই জোটের ঘোষণাও আসতে পারে বলে জানিয়েছেন একাধিক দলের নেতৃবৃন্দ।

চলমান প্রক্রিয়ার এই নির্বাচনী জোটের থাকতে পারে মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জি হুজুর রহ.-এর খেলাফত আন্দোলন, শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ. এর প্রতিষ্ঠিত-বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, চরমোনাইয়ের পীর সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল করীম রহ. এর ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, মুফতি ফজলুল হক আমিনী রহ. এর-ইসলামি ঐক্যজোট, প্রাচীনদল মুসলিমলীগ, ফরায়েজী জামাতসহ নিবন্ধিত অনিবন্ধিত ইসলামি রাজনৈতিকদল।

ভোট জোট ও সাংগঠনিক বিবেচনায় অগ্রসর চরমোনাই পীরের দল ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব গাজী আতাউর রহমান নির্বাচনী জোটের ব্যাপারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।তিনি বলেন, নানাভাবে জোটের আলোচনা চলছে, আমরা ইসলামি দলগুলোর ঐক্যের পক্ষে, তবে সন্দেহের বিষয় হলো- সরকারও চাচ্ছে ইসলামীদলগুলোকে দিয়ে জোট করাতে। আমরা সরকারি বা এজেন্সী কারও এজেন্ডা বাস্তবায়নে জোটে যাবো না। তবে নিজেদের স্বকীয়তা ও শক্তি গড়ে তোলার জন্য স্বতন্ত্রধারায় নির্বাচনী জোটের ব্যাপরে আলোচনা চলছে। শিঘ্রই বিষয়গুলো দৃশ্যমান হবে।

একই বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক। তিনি বলেন, জোট বা ঐক্যের বিষয়টি একেবারেই প্রথমিক পর্যায়ে। এখনও বলার মতো কিছু হয়নি। তবে পরষ্পর আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে, একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবাইকে একসঙ্গে আসা উচিত। সেই জোটের টার্গেট শুধু নির্বাচন নাকি আরোও কিছু, জানতে চাইলে মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, শুধুই নির্বাচন নয় বরং ইসলামি বিরোধী যে কোন বিষয়েই যেন নিজেদের ঐক্যবদ্ধ ফ্লাটর্ফম হয় সেদিকটাও বিবেচনা করা হবে।

নির্বাচনী জোটের বিষয়ে ইতিবাচক মতামত জানিয়েছেন, বিএনপিজোট ছেড়ে আসা- ইসলামি ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ জানান, আমি আগ থেকেই ইসলামি দলগুলোর জোটের ব্যাপারে বলে আসছি। এখনও বলছি। আমি মনে করি-ঐক্য মহান আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। অনৈক্য কাছে অপ্রিয়। ইতিহাস সাক্ষী, অনৈক্য, বিভেদ ও বিভক্তির ফসল হচ্ছে পরাজয় ও পতন। বিজয় নয়। বাংলাদেশে ইসলামের বিজয় আনতে হলে বিভক্তির প্রাচীর ভাঙ্গতেই হবে।

তিনি বলেন, কুরআনী শক্তির পুনঃজাগরণের জন্য দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসতে হবে বাংলাদেশের মানুষকে। কারণ আল্লাহর এ ভূমিতে এর দায়ভার তাদেরই। এবং সে দায়িত্বটি পালিত হতে পারে কুরআনী নির্দেশনা পূর্ণ অনুসরণের মধ্য দিয়ে। আর ইসলামকে বিজয়ী করার এটিই হলো প্রধান বা একমাত্র পথ। আসুন আমরা আল্লাহর দেয়া ‘ঐক্যের’ সে কুরআনী বিধান মেন