শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেটের জামেয়া আশরাফিয়া ইসলাম নগর মাটিজুড়ার বার্ষিক মাহফিল ৮ নভেম্বর ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগরের সভাপতি আব্দুর রশিদ, সম্পাদক মুফতি মঈনুল ইসলাম রাজধানীতে বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন  বৃষ্টি নিয়ে আবারও সতর্কবার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের গণভোট নিয়ে জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে সরকার: আমিরে মজলিস জুহাইমানের দখলে কাবা, দুই সপ্তাহ বন্ধ ছিল জুমার খুতবা দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামায় প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন বাবুনগর মাদরাসার মাহফিলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি শ্রমিক মজলিসের জামিয়া কাসিমুল উলূমের ৮৫তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ৭ নভেম্বর  

কাতার-সৌদি বিরোধ আমেরিকা-ইসরাইলের নীলনকশা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর মধ্যকার চলমান সংকট শান্তিপূর্ণভাবে নিরসনের জন্য বিভিন্ন মধ্যস্থতা ও উদ্যোগের পাহাড় জমে যাচ্ছে। কাতারের সমস্যা তার নিকটতম প্রতিবেশী পারস্য ও রোমানদের (ইরানি ও তুর্কিদের প্রাচীন স্থানীয় নাম) সঙ্গে।

আপাতদৃষ্টিতে কাতারকে সবচেয়ে বেশি সমর্থন করছে তুরস্ক। তুরস্ক এমন একটি বিল অনুমোদন করেছে, যার ফলে আরও বেশি সৈন্য কাতারে পাঠানো যাবে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট মধ্যস্থতা করতেও প্রস্তাব দিয়েছেন। আরব বিশ্বে হৈচৈ শুরু হয়েছে তার মধ্যস্থার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে।

সেবাদাস-মিডিয়ায় কর্মরত দালাল শ্র্রেণীর বিশ্লেষকরা বলছেন, “তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান শুরু থেকেই পরিস্কারভাবে ‘কাতারি উপন্যাসের’ প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন। এটি হয়তবা তার মধ্যস্থতার বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করে দেবে। কেননা তিনি খোলামেলাই বলেছেন, ‘নিশ্চয় কাতার মাজলুম। তাকে দায়ী করা ঠিক হবে না।” (আল আরাবিয়া নেট)

তবে তুরুস্ক কেন কাতারের পক্ষ নিল সেই প্রশ্নের উত্তরটাই বড় বিষয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে পেট্রোডলারের দেশগুলোতে আধিপত্য বিস্তারের ধারাবাহিকতায় ইসরাইল ও মিসরকে কড়া নিয়ন্ত্রণ, লিবিয়া, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনকে ধ্বংস করে গন্তব্যের শেষের দিকে এসে পৌছেছে। এই আধিপত্য বিস্তারের ব্যাপারে তাদের একমাত্র প্রতিবন্ধক প্যান-ইসলামিক শক্তি অর্থাৎ মুসলিম ব্রাদারহুড এবং এই ধরনের অন্যান্য সংগঠন। এই প্রতিবন্ধক শক্তিকে নির্মূল করার জন্য প্রচার মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর পরও কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। বিরামহীন প্রচারণার ফলে ইসলামোফোবিয়া পশ্চিমা বিশ্বের শিরা-উপশিরায় ব্লাড-ক্যান্সারের মতো প্রবাহ হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ হামলার মধ্য দিয়ে এ ক্যান্সারের যাত্রা শুরু। শুরুতে ব্রেইন ক্যান্সার। তারপর দেহ। এখন শিরা-উপশিরায়। এখনও তা চলছে। শুরুটা ছিল আধিপত্যবাদী মোড়ল রাষ্ট্রগুলোর যাত্রার সূচনা। এ যাত্রায় তারা গন্তব্য পানে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটে চলছে।

নাইন-ইলেভেনের পর বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের বিচরণ সঙ্কীর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। এখন পশ্চিমা দেশগুলোতে কোনো ব্যক্তির মুসলমান অথবা ইসলামি ঐতিহ্যের ধারক হওয়া অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। পশ্চিমা ও বিশà§