বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


চিকুনগুনিয়ায় ওষুধ ব্যবহারে সতর্কতা জরুরি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুনীরউদ্দিন আহমদ

চিকুনগুনিয়ায় ওষুধ ব্যবহারে সতর্ক হোন

চিকুনগুনিয়া বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত নাম। চিকুনগুনিয়া রোগের নায়ক দুজন—এক. মশা, নাম এডিস এজিপ্টি (Aedes aegypti); দুই. ভাইরাস।

বহু দিন ধরে মানুষ জেনে এসেছে, মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়। কয়েক বছর আগে শুনলাম, মশার কামড়ে ডেঙ্গুও হয়। এখন নতুন করে শুনছি, মশার কামড়ে চিকুনগুনিয়া হয়; যদিও রোগটি তেমন নতুন নয়। তবে সমস্যা হলো, সাধারণ সর্দিজ্বর হলেও মানুষ ইদানীং একে চিকুনগুনিয়া বলে অভিহিত করছে। অন্যদিকে ডেঙ্গুকেও চিকুনগুনিয়া বলে মনে হতে পারে অনেকের কাছে। কারণ দুটি রোগের কারণই মশা এবং রোগগুলোর উপসর্গও মোটামুটি একই রকম।

সরকারের রোগ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইইডিসিআরের খবরে প্রকাশ, চিকুনগুনিয়ার জন্য ঢাকার ২৩টি এলাকা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে চিকুনগুনিয়া বিস্তার প্রতিরোধ সংক্রান্ত সভায় এ গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইইডিসিআর। এলাকাগুলো হলো ধানমণ্ডি ৩২, ধানমণ্ডি ৯/এ, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টর, মধ্য বাড্ডা, গুলশান-১, লালমাটিয়া, পল্লবী, মগবাজার, মালিবাগ চৌধুরীপাড়া, রামপুরা, তেজগাঁও, বনানী, নয়াটোলা, কুড়িল, পীরেরবাগ, রায়েরবাজার, শ্যামলী, উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর, মিরপুর মনিপুর, মোহাম্মদপুর, মহাখালী, মিরপুর ও কড়াইল বস্তি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর এই ২৩টি এলাকায় চিকুনগুনিয়ার বাহক মশার ঘনত্ব বেশি। এর পরিপ্রেক্ষিতে চিকুনগুনিয়ার বিস্তার প্রতিরোধে এডিস মশা এবং এর লার্ভা নিধনের, ‘ক্র্যাশ প্রগ্রাম’ অব্যাহত রাখতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

তবে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, শুধু ঢাকা নয়, ঢাকার আশপাশের এলাকাসহ সারা দেশে চিকুনগুনিয়ার বিস্তার ঘটতে পারে। ঢাকা শহরের বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর খবর আসছে। তাই আমাদের সজাগ থাকা প্রয়োজন এবং আশপাশের এলাকাসহ ঢাকা শহরের সব এলাকায় মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া দরকার। আমি একটি কথা অতি গুরুত্ব দিয়ে বলি ও লিখি। আর তা হলো, রোগের প্রতিকার নয়, প্রতিরোধই সব দিক থেকে উত্তম। বছর কয়েক আগে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হওয়ায় কিছু লোকের মৃত্যুর ফলে আমরা নড়েচড়ে বসেছিলাম এবং মশা মারার জন্য ভীষণ তৎপর হয়ে উঠেছিলাম।

ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে যাওয়ার কারণে মশা নিধনের কর্মসূচির গতি আবার মন্থর হলো। এখন আবার চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সরক