শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মানবতার মুক্তিতে পূর্ণাঙ্গ দীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খেলাফত মজলিস হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় মতপার্থক্য ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  বরিশালে ইসলামী আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা ইকরা আইডিয়ালের হিফজ সমাপনী পাগড়ি প্রদান ও অভিভাবক সম্মেলন অনুষ্ঠিত চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠকের সম্মাননা পেলেন আমিনুল হক সাদী মসজিদে নববির আঙিনায় মুসল্লিদের ছায়া দিচ্ছে ২৫০ বিশাল ছাতা প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার মাওলানা ঈসা মানসুরী আর নেই কক্সবাজারে মহাসম্মেলনের সমাপনী আজ, প্রধান মেহমান আল্লামা ফয়সাল নাদিম সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

পূর্ববর্তীদের ও এখনকার রোজার বড় পার্থক্য ধরিয়ে দিলেন মাওলানা তারিক জামিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাকিব হাসান: বিশিষ্ট দাঈ মাওলানা তারিক জামিল বলেন, আমরা বর্তমান মুসলিম উম্মাহ বড় ভাগ্যবান। পূর্ববর্তী উম্মতগণ ২০ ঘন্টা রোজা রেখেছেন আর এখন আমাদের শুধু দিনের বেলায় রোজা রাখা লাগে। পূর্ববর্তী উম্মতদের জন্য স্ত্রী সহবাসের অনুমতি ছিল না কিন্তু এখনকার উম্মতের জন্য স্ত্রী সহবাস হালাল। এক মজলিসে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আগে ২৪ ঘন্টা রোজা রাখতে হত, ইফতারির পরে এখটুখানি সময় চোখ বন্ধ হলেই রোজা ভেঙ্গে যেত।

তিনি বলেন, এক সাহাবী ছিলেন যার নাম কায়েয বিন সুরায়মা। তিনি ঘরে এসে স্ত্রীর কাছে ইফতারির কথা জিজ্ঞেস করলেন। কিন্তু ঘরে কিছুই ছিল না, তার স্ত্রী সারাদিন কষ্ট করে, মাঠে কাজ করে ঘরে ফেরা স্বামীর জন্য ইফতারির ব্যবস্থা করতে গেলেন। তবে সে ফিরতে দেরি করে ফেলেন। এদিকে সাহাবী কায়েয বিন সুয়ারায়মার চোখ লেগে যায়। স্ত্রী ফিরে আসতে আসতে সূর্য ডুবে গেল পরবর্তী রোজা শুরু হয়ে গেল।

জোহরের নামাজে তার মুখ শুকনো দেখে রাসুল সা. তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কায়েজ তোমার কি হয়েছে?
তিনি ঘটনা বর্নণা করলেন এবং তার পর থেকে রাতভর খাওয়া দাওয়া হালাল করে দেওয়া হল।

মাওলানা তারিক জামিল বলেন, পূর্ববর্তী উম্মতগণের রোজা অনেক কঠিন ছিল। তারা ২৪ ঘন্টা রোজা রাখতেন। তাদের জন্য স্ত্রী সহবাস হারাম ছিল এমনকি অনেক উম্মতগণদের জন্য রোজাবস্থায় কথা বলাও নিষেধ ছিল। কিন্তু উম্মাতে মুসলমানের জন্য রোজা অনেক সহজ করে দেওয়া হয়েছে। রাত্রে স্ত্রী সহবাস হালাল করে দেওয়া হয়েছে এবং রোজার সাওয়াবও তাদের জন্য বেশি দেওয়া হবে বলে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করে দিয়েছেন।

হিজরী সনের ১১ মাস আরববাসী রেখেছেন কিন্তু রমজান মাসের নাম স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা রেরখেছেন।

কুদরত ডটকম থেকে অনুদিত


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ