সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন, চলছে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 

পূর্ববর্তীদের ও এখনকার রোজার বড় পার্থক্য ধরিয়ে দিলেন মাওলানা তারিক জামিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাকিব হাসান: বিশিষ্ট দাঈ মাওলানা তারিক জামিল বলেন, আমরা বর্তমান মুসলিম উম্মাহ বড় ভাগ্যবান। পূর্ববর্তী উম্মতগণ ২০ ঘন্টা রোজা রেখেছেন আর এখন আমাদের শুধু দিনের বেলায় রোজা রাখা লাগে। পূর্ববর্তী উম্মতদের জন্য স্ত্রী সহবাসের অনুমতি ছিল না কিন্তু এখনকার উম্মতের জন্য স্ত্রী সহবাস হালাল। এক মজলিসে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আগে ২৪ ঘন্টা রোজা রাখতে হত, ইফতারির পরে এখটুখানি সময় চোখ বন্ধ হলেই রোজা ভেঙ্গে যেত।

তিনি বলেন, এক সাহাবী ছিলেন যার নাম কায়েয বিন সুরায়মা। তিনি ঘরে এসে স্ত্রীর কাছে ইফতারির কথা জিজ্ঞেস করলেন। কিন্তু ঘরে কিছুই ছিল না, তার স্ত্রী সারাদিন কষ্ট করে, মাঠে কাজ করে ঘরে ফেরা স্বামীর জন্য ইফতারির ব্যবস্থা করতে গেলেন। তবে সে ফিরতে দেরি করে ফেলেন। এদিকে সাহাবী কায়েয বিন সুয়ারায়মার চোখ লেগে যায়। স্ত্রী ফিরে আসতে আসতে সূর্য ডুবে গেল পরবর্তী রোজা শুরু হয়ে গেল।

জোহরের নামাজে তার মুখ শুকনো দেখে রাসুল সা. তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কায়েজ তোমার কি হয়েছে?
তিনি ঘটনা বর্নণা করলেন এবং তার পর থেকে রাতভর খাওয়া দাওয়া হালাল করে দেওয়া হল।

মাওলানা তারিক জামিল বলেন, পূর্ববর্তী উম্মতগণের রোজা অনেক কঠিন ছিল। তারা ২৪ ঘন্টা রোজা রাখতেন। তাদের জন্য স্ত্রী সহবাস হারাম ছিল এমনকি অনেক উম্মতগণদের জন্য রোজাবস্থায় কথা বলাও নিষেধ ছিল। কিন্তু উম্মাতে মুসলমানের জন্য রোজা অনেক সহজ করে দেওয়া হয়েছে। রাত্রে স্ত্রী সহবাস হালাল করে দেওয়া হয়েছে এবং রোজার সাওয়াবও তাদের জন্য বেশি দেওয়া হবে বলে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করে দিয়েছেন।

হিজরী সনের ১১ মাস আরববাসী রেখেছেন কিন্তু রমজান মাসের নাম স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা রেরখেছেন।

কুদরত ডটকম থেকে অনুদিত


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ