সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

কওমিজোট: বিরোধী দল হওয়া কী সম্ভব?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ: গতকাল আমি কওমিজোট নিয়ে একটি দু লাইনের আশার কথা বলেছিলাম। এ নিয়ে দুদিন ধরে দেখলাম অনলাইন অফলাইনে নানা উত্তেজনা ও বিশ্লেষণ। প্রতিদিন অসংখ্য ফোন আর ম্যাসেজ আসছে। আসলেই কী কওমিজোট বলতে কিছু হচ্ছে। কেউ বলছেন ভূয়া খবর। আর হলে এর ধরন কী? কে কে থাকবেন? কার নেতৃত্বে। বিএনপিকে রেখে বিরোধীদল হবে কেমন করে ইত্যাদি।

গত য়েকদিন ধরে যারা জাতীয় পত্রিকা পড়েছেন, বা টকশোগুলোর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত দেখছেন, তারা বিষয়টি নিশ্চয় আচ করতে পেরেছেন। দুদিন আগে দৈনিক মানব জমিনের প্রধান শিরোনামেই ছিল হেফাজতের ভোট ব্যাংক হবে আগামী নির্বাচনে বড় ফ্যক্টর।

গতকাল ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রধান শাহরিয়ার কবীর সেই শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, "ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ না হলে আগামি নির্বাচনে কেয়ামত হয়ে যাবে। আসলে জনাব শাহরিয়ার কবির এমনি এমনি কথাটি বলেন নি। তিনি এটা নিশ্চিত হয়েছেন, ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মাঝে যে জাতীয় ঐক্য প্রচেষ্টা চলছে তা বাস্তবায়িত হলে ভোটের রাজনীতিতে আলেমদের আগামী নির্বাচন হয়ে উঠতে পারে বড় ধরনের টানিং পয়েন্ট। কওমিজোট হয়ে উঠতে পারে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক নীতি নির্ধারনী দল।

গতকালকের দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে সাংবাদিক স্বপন দাশগুপ্ত "আগামী নির্বাচন নিয়ে কিছু কথা" শিরোনামে উপ সাম্পাদকীয়তে লিখেছেন, "ইসলামী ঐক্যজোট বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০দল ছেড়ে দিয়েছে। আরও হয়তো কয়েকটি ইসলামি দল বিএনপি জোট ছেড়ে দেয়ার চিন্তা করছে। ইসলামি দলগুলো বিএনপির সঙ্গে না থাকলে নির্বাচনে বড় ফ্যক্টর হয়ে দাড়াবে।"

তিনি আরো লিখেছেন, ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলো বসে নেই। তারা আলাদা কোন জোট গঠন করবেন। জামাতে ইসলামীর সঙ্গে অনেক ইসলামিক দলের আদর্শগত দ্বন্দ্ব থাকায় এরা হয়তো আগামি নির্বাচনে বিএনপির দিকে না ঝুঁকে আলাদা জোট গঠনের চেষ্টা করবে। এ অবস্থায় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী হবে তা এ মুহূর্তে বলা কঠিন। "

বাংলাদেশ প্রতিদিনের এই লেখা থেকে পর্দার অন্তরালে সতন্ত্র ইসলামি জোটের কিছু আভাস ঠিকই ফুটে উঠেছে। যদিও জোটের পক্রিয়াকে বাস্তবায়ন করা এবং বাস্তবে আলোর মূখ দেখাতে জোটের সমন্নয়কগণ আপাতত মূখ খুলছেন না। তবে কওমিজোট বা কওমিধারার জাতীয় জোট যে হচ্ছে তা নানা মহলের বক্তব্য ও তৎপরতায় অনেকটা নিশ্চিত। এক্ষেত্রে প্রশ্ন ধারাতে পারে এতে বিএনপির ভূমিকা কী হতে পারে? এবং বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার কী আলেমদের এই নতুন ঐক্য ও রাজনৈতিক উত্তান মেনে নিবে?

প্রথমতো দেখতে হবে বিএনপি জোটে বর্তমান ইসলামপন্থীদের অবস্থান কী। জমিয়ত ও মজলিসের একাংশ ছাড়à¦