বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ওমান উপকূলে ভারতীয় জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিখোঁজ ৩ দুপুরের মধ্যে ৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা তুচ্ছ ঘটনায় রণক্ষেত্র ভৈরব, ওসিসহ আহত অর্ধশতাধিক বানিয়াচংয়ে ইসলামী সংগ্রাম পরিষদের ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন জৈন্তাপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতির ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক ‘আদর্শবান ও প্রশিক্ষিত কর্মীরাই একটি সংগঠনের প্রকৃত শক্তি’ শুক্রবার মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে খুতবা দেবেন যে দুই শায়খ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি হজমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ১১ দলীয় জোটে নেই খেলাফত আন্দোলন, নাম ব্যবহার না করার আহ্বান

যা কিছু হয়েছে আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে: মুফতি হান্নান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হরকাতুল জেহাদ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান বলেছেন, এই মামলা মিথ্যা মামলা ছিল।

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত হরকাতুল জিহাদের এই শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তার পরিবার।

রাষ্ট্রপতি মুফতি হান্নানের প্রাণ ভিক্ষার আবেদন নাকচ করার পর কারাবিধি অনুযায়ী গত মঙ্গলবার শেষ দেখা করার জন্য স্বজনদের কাছে বার্তা পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। এরপর আজ বুধবার সকালে মুফতি হান্নানের সঙ্গে শেষ দেখা করেছেন তার স্ত্রীসহ পরিবারের ৪ সদস্য। ফাঁসির অপেক্ষায় থাকা এই জঙ্গি কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি আছেন।

সাক্ষাত শেষে কারাগার থেকে বেরিয়ে যাবার সময় পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেন, মুফতি হান্নান তাদের জানিয়েছেন, এ মামলা মিথ্যা মামলা ছিল। যা কিছু হয়েছে আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে। এসময় তার সন্তানদের দেখে রাখার জন্য মুফতি হান্নান বড় ভাইয়ের নিকট আবেদন জানান।

কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, রাষ্ট্রপতির কাছে করা প্রাণ ভিক্ষার আবেদন নাকচ হবার খবর গত সোমবার দুই আসামিকে জানানো হয়। অপরদিকে তাদের স্বজনদেরও কারাগারে এসে শেষ দেখা করতে মঙ্গলবার সকালে বার্তা পাঠানো হয়। তারপরে আজ বুধবার সকালে মুফতি হান্নানের স্ত্রী রুমা আক্তার, দুই মেয়ে নাজনীন ও নিশাত এবং বড় ভাই অলিউজ্জামান ভোরে কারাগারে এসে পৌঁছান। বিধি অনুযায়ী তারা আবেদন করলে অনুমতি পাবার পর হান্নানের সঙ্গে দেখা করেছেন।

এদিকে তাদের ফাঁসি কার্যকরের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান জেল সুপার। কারাগারে জল্লাদ ও ফাঁসির মঞ্চ সবকিছুই প্রস্তুত আছে। ইতিমধ্যে ফাঁসির মহড়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

ফাঁসি কার্যকরের সম্ভাবনার আলোকে মঙ্গলবার বিকেল থেকে কারাগার ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। পোশাকে-সাদা পোশাকে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করছে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।

২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত এবং পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হন। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

জল্লাদের মহড়া, যেকোনো সময় মুফতি হান্নানের ফাঁসি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ