শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুমার খুতবা চলাকালে নামাজ ও কথাবার্তার বিধান ইসলামি লেখক ফোরামের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন, আসছে নতুন কর্মসূচি সনদে ভুল এড়াতে মাদরাসাগুলোকে বেফাকের জরুরি নির্দেশনা বাবুনগর মাদ্রাসায় যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জুমার শেষে যোগ দেবেন সম্মেলনে সিসেস্তার মাউন্ট বারবারো: ইতিহাসের সাক্ষী প্রাচীন মসজিদ শৈশবের বিশ্বাসের সঙ্গে ইসলামের মিল, মুসলিম হলেন মার্কিন তরুণী ফেনীতে ‘খেলাফতের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রসচিবদের জন্য বোর্ডের ১৪ নির্দেশনা মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদে আজ জুমা পড়াবেন যাঁরা ‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’

পশ্চিমা পোশাকের কারণেই নারী লাঞ্ছিত:ভারতীয় মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

nari-lanchitoআওয়ার ইসলাম: ভারতের  ব্যাঙ্গালোরে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের সময় কথিত যৌন হয়রানির জন্যে নারীদের পাশ্চাত্যের পোশাক অনুসরণকে  দায়ী করেছেন ভারতের এক মন্ত্রী।খবর বিবিসির।

স্থানীয় সংবাদপত্রে 'লাঞ্ছিত' নারীদের কিছু ছবি প্রকাশ হওয়ার পর কর্নাটক রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরামেশ্বরা পার্টিতে আসা তরুণীদের দায়ী করে বলেছেন, "তারা শুধু তাদের মননেই পশ্চিমাদের অনুকরণ করেনি, পোশাক আশাকেও তাদেরকে অনুকরণ করেছে।"

"তাহলে তো এধরনের ঘটনা ঘটবেই," ।

মন্ত্রীর এই মন্তব্য ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

দক্ষিণ ভারতের এই মন্ত্রী বলেছেন, মেয়েরা 'পশ্চিমাদের মতো' পোশাক পরার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার নববর্ষের প্রথম প্রহরে আনন্দ করতে আসা নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলা হচ্ছে।

ব্যাঙ্গালোরের একটি খবরের কাগজে ক্রন্দনরত কয়েকজন নারীর ছবিও ছাপা হয়েছে যারা অভিযোগ করেছেন, ভিড়ের মধ্যে পুরুষরা তাদের গায়ে হাত দিয়েছে।

পুলিশ বলছে, তারা এধরনের কোন অভিযোগ পায় নি। তবে এধরনের ঘটনা ঘটেছে কিনা সেটা তারা ভিডিও ফুটেজে স্ক্যান করে দেখছেন।

 

ভারতে নারীর অধিকার রক্ষায় গঠিত ন্যাশনাল কমিশন ফর উইমেনের প্রধান লালিথা কুমারামানাগালাম বলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্যে দেশের নারীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে তার পদত্যাগ করা উচিত।

কেন্দ্রীয় সরকারের একজন মন্ত্রী কিরেন রিজিজু কর্নাটকের মন্ত্রীর এই মন্তব্যকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন' বলে উল্লেখ করেছেন।

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, "এধরনের লজ্জাজনক ঘটনায় কারো শাস্তি হবে না - এরকম হতে পারে না।"

বিবিসির হিন্দি বিভাগের একজন সাংবাদিক বলেছেন, নববর্ষ উদযাপন করতে শহরের কেন্দ্রে মহাত্মা গান্ধী এবং ব্রিগেড রোড এলাকায় ১০ হাজার থেকে ১২ হাজারের মতো লোক জড়ো হয়েছিলো।

বলা হচ্ছে, এসময় সেখানে দেড় হাজারের মতো পুলিশ মোতায়েন ছিলো।

ব্যাঙ্গালোরের একজন ফটোসাংবাদিক অনন্ত সুব্রাম্যানিয়াম বিবিসি হিন্দিকে জানিয়েছেন, এই এলাকায় সাধারণত যতো মানুষ আসে তার চেয়ে তিনগুণ বেশি লোক হয়েছিলো।

তার তোলা ছবিই নারীদের ব্যাপারে শহরের পুরুষের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

তিনি বলেন, লোকজন পৌনে বারোটা থেকে রাত সাড়ে বারোটা পর্যন্ত সেখানে চলাচল করতে পারছিলো না।

"ভিড় যখন কিছুটা কমে