শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামি লেখক ফোরামের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন, আসছে নতুন কর্মসূচি সনদে ভুল এড়াতে মাদরাসাগুলোকে বেফাকের জরুরি নির্দেশনা বাবুনগর মাদ্রাসায় যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জুমার শেষে যোগ দেবেন সম্মেলনে সিসেস্তার মাউন্ট বারবারো: ইতিহাসের সাক্ষী প্রাচীন মসজিদ শৈশবের বিশ্বাসের সঙ্গে ইসলামের মিল, মুসলিম হলেন মার্কিন তরুণী ফেনীতে ‘খেলাফতের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রসচিবদের জন্য বোর্ডের ১৪ নির্দেশনা মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদে আজ জুমা পড়াবেন যাঁরা ‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’ দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমতের স্বীকৃতি পেলেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম

মহাসচিব, মহাপরিচালক এবং আগামী দিনের বেফাক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হুমায়ুন আইয়ুব
সম্পাদক, আওয়ার ইসলাম

humaun_aiubআল্লামা শামসুল হক ফরীদপুরী রহ.-এর হাতে গড়া সন্তান মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার রহ. চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে। তার কর্মময় জীবনের উজ্জ্বল উদাহারণ বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাক। লাখো আলেম উলামা মাদরাসা শিক্ষার্থীর আস্থা বিশ্বাস ও চেতনার মিনার এই বেফাক। বেফাক আকাবির ও আসলাফের চোখের পানির ফসল।

মনে রাখবার মতো বিষয় হলো, বেফাক একটি আমানত। ষোল কোটি বাঙালির ঈমান, আমল আখলাক ও ইসলামি মূল্যবোধের আজান হয় এই বেফাক থেকে। বেফাকের সন্তানরাই রাজপথের সিপাহসালার, খানকার পীর, মসজিদরে ঈমাম-খতিব, কালি ও কলমের জাদুঘর।

বেফাকের পতাকা নিয়ে দেশ-বিদেশে দাওয়াতের কাজ করেন  আলেমরা। হাদিসের মসনদে কলা হাদ্দাসানার সুর, কুরআনের বাগানে শেষ রাতের তেওলাওয়াত করেন বেফাকের চেতনাধারীরাই।

মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ছিলেন এই বেফাকের মালি। এই বেফাকবাগের চাষি। ১৯৭৮ সালে শায়েস্তা খাঁ হল থেকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পর্যন্ত তিনি শুধু বেফাকই লালন-যাপন করেছেন।

এই মহাসচিব হওয়ার জন্য কেউ লালায়িত বা লবিং করছেন এমন রাজনৈতিক বক্তব্যও অন্তত আমরা বিশ্বাস করতে চাই না। কারণ বেফাকের দায়িত্বশীলরা যাকেই মনোনিত করবেন, তিনি লাখো আলেম উলামা, শিক্ষার্থীর আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবেন এটাই স্বাভাবিক।

গত ১৮ নভেম্বর শুক্রবার তার চলে যাওয়ার মাধ্যমে একই সঙ্গে বেফাকের দুটিপদ শূন্য হয়েছে। একটি বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের মহাপরিচালক (ডিজি), অপরটি বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের মহাসচিব পদ। একই সঙ্গে দুটি পদ বহন করা মাওলানা আবদুল জব্বারের নিবেদিত মানসিকতার কারণেই সম্ভব হয়েছিল।

তার ইন্তেকালের শোক কাটিয়ে ওঠতে না ওঠতে জোর আলোচনা হচ্ছে কে হচ্ছেন বেফাকের পরবর্তী মহাসচিব। মহাসচিব কে হচ্ছেন বিষয়টি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ দেওবন্দি চেতনায় বিশ্বাসী, আকারির ও আসলাফের মন-মনন লালনকারী যে কউ বেফাকের মহাসচিব হতে পারেন। ব্যক্তিটা খুব মুখ্য নয়।

যারা আলোচনায় আছেন বা নেই তারা খুব কাছাকাছি মেজাজের মানুষ। পরস্পর আকাশ-পাতাল খুব পার্থক নেই। বেফাকের নীতি আদর্শের বাইরে গিয়ে কাজ করারও খুব একটা সুযোগ নেই। এই মহাসচিব হওয়ার জন্য কেউ লালায়িত বা লবিং করছেন এমন রাজনৈতিক বক্তব্যও অন্তত আমরা বিশ্বাস করতে চাই না। কারণ বেফাকের দাà§