সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

অশ্লীল বা ইসলামবিরোধী পেজ-ওয়েবসাইট দেখলে কী করবেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাকির পারভেজ খান ও সাদমান সাকিব

অবিশ্বাসীদের মধ্যে যারা উপহাস ও পরনিন্দা করতে ভালবাসে, তারা একের পর এক এসব ইসলাম বিরোধী কাজ করতেই থাকবে, কারণ অন্যের অবমাননা এবং অন্যকে গালমন্দ ব্যাতীত তারা আর কিছু পারেনা। আমরা তাদের এসব কাজে যত বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাব, তারাও শয়তান দ্বারা এসব কাজের প্রতি তত বেশি উৎসাহিত হবে। মনে রাখবেন, আমাদেরকে ক্রোধান্বিত করা এবং আমাদের দা’ওয়াহ সম্পর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেওয়াই তাদের মূল চক্রান্ত।

ফেসবুকে আমরা যখনই কোন ইসলাম বিরোধী পেজ দেখি, আমরা প্রথমেই বন্ধুদের বলি সেটির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করতে। কিন্তু কজনই বা উপলব্ধি করেন যে এতে  আসলে ওই নির্দিষ্ট পেজ/গ্রুপটিকে সাহায্য করা হচ্ছে, তাদের বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিয়ে??

বর্তমানের ক্লিক নির্ভর ইন্টারনেট জগতে, বেশিরভাগ মানুষই যা করেন, তা হল, ওই ওয়েবসাইট/পেজটির ইউ.আর.এল (URL) এ ক্লিক করেন। যার ফলে পেজটির হিট সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং পেজটির কর্তাদের উদ্দেশ্যও সফল হয়। দ্বিতীয়ত, এই হিট সংখ্যা বাড়ার মধ্য দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনে স্থান পেতেও পেজটির সুবিধা হয়।তৃতীয়ত আপনি যখন ঐ পেজ ওপেন করলেন, এবং বিভিন্ন স্ট্যাটাস/ছবিতে কমেন্ট করলেন, ঐ সব নোটিফিকেশন আপনার বন্ধুদের ফেসবুক হোমপেজে দেখাবে। আপনি আপনার নিজের শত্রুকে তার হাতিয়ার তৈরি করতে সাহায্য করলেন!!

ফেসবুকে একটি পেজ/গ্রুপ খোলাটা অনেক সহজ। কিন্তু ওই পেজের প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করাটা অনেক কঠিন। ইসলাম বিরোধী এই পেজগুলো আশানুরূপ সাড়া না পেলে অচিরেই নিষ্প্রভ হয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যদি সবাইকে এগুলোর ব্যাপারে বলে বেড়াতে থাকেন, তাহলে নিজের অজান্তেই আপনি তাদের প্রচারণার কাজ করছেন। এবং এটাই তারা চায়।

আপনি যদি কাউকে একটি নির্দিষ্ট  পেজ/গ্রুপ/সাইটে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে চান, সবচেয়ে সহজ উপায় হল, তাকে এ ব্যাপারে কিছুই না বলা।

সিএনএনের মত সুপ্রতিষ্ঠিত কোন ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে একটি ‘প্রটেস্ট ক্যাম্পেইন’ (Protest Campaign) করা বেশ যৌক্তিক। কিন্তু অধিকাংশ সাইটের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ঠিক উল্টো। আপনার উচিৎ পেজটিকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা। এটিকে অবহেলার মরণ মরতে দেওয়া। যত দ্রুত এটি আকর্ষণ হারাবে, তত দ্রুত এই দানবের বিনাশ ঘটবে।

সুতরাং পরবর্তীতে আপনি যখনই কোন ইসলাম বিরোধী পেজ/গ্রুপ এর সতর্কবার্তা পাবেন, সাথে সাথে তা মুছে ফেলবেন। যদি প্রেরককে কোন উত্তর পাঠাতে চান তাহলেও ওই সতর্কবার্তার মূল পাঠ্য (Original text)  সংযোজন করবেননা, কারণ এতেও à¦