বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮

ময়মনসিংহের অধিকাংশ আলেমই চাইলেন অসমাপ্ত বক্তব্যের সুরাহা

OURISLAM24.COM
অক্টোবর ২৩, ২০১৬
news-image

tanjim1কিশোরগঞ্জ থেকে মাহমুদ হাসান আদনান 

বৃহত্তর ময়মনসিংহের কওমী মাদরাসা নিয়ে গঠিত তানযীম বোর্ডের ডাকে ওলামা সম্মেলনে যোগ দেয়া অধিকাংশ আলেম, মুহতামিমের মুখেই মাওলানা আনোয়ার শাহ’র বেফাক ওলামা সম্মেলনের অসমাপ্ত বক্তব্যের বিষয়টি উঠে এসেছে।

রোববার সকাল ১১ টায় কিশোরগঞ্জের জামিয়া ইমদাদিয়া মিলনায়তনে মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ’র সভাপতিত্বে শুরু হয় অনুষ্ঠান। সম্মেলনে যোগদেন ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও সিলেটের আলেমরা। যাদের অধিকাংশই মাওলানা আনোয়ার শাহ’কে নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।

গাজীপুরের মাওলানা আশেক মোস্তফা বলেন, বেফাকে আল্লামা আনোয়ার শাহ’র মত মানুষের মূল্য নেই এটি খুবই দু:খজনক। তিনি বেফাকের গুরুতপুণ ফায়সালার কাজে মায়নমসিংহের আলেমদের ডাকা হয় না বলেও অভিযোগ করেন।
অনেক বক্তাই উপস্থাপকের নিশেধ সত্ত্বেও বেফাকের বিগতদিনের হিসাব নিকাশের বিষয় উল্লেখ করেছেন। কয়েকজন আলেমের নাম উল্লেখ করে কিশোরগঞ্জ এসে আনোয়ার শাহ‘র কাছে ক্ষমা চাওয়ারও আহবান জানান।
ময়মনসিংহ ভারারা মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আমিনুল হক বলেন, বাংলাদেশে ১০ জন আলেমকে নক্কত্র হিসাবে গন্য করা হলে শাহ সাহেব হবেন একজন। তার মত ব্যক্তিকে অপমান করা হয়েছে,  এটা সহনীয় নয়। স্বীকৃতি বিষয়ে তিনি বলেন, যদি কল্যাণকর হয় তাহলে আল্লাহ যেন আমাদের সনদকে স্বীকৃতি দেন।

সিলেটের মাওলানা আবুল হাসান বলেন, বেফাক আমাদের সম্পদ একে ভাঙ্গার চেষ্টা করবেন না। আমরা বেফাকে ছিলাম আছি ও থাকবো। তিনি বলেন, এক্যবদ্ধ হয়ে পরামর্শের মাধ্যমে স্বীকৃতি নেওয়া হোক।

ইত্তেফাকুল ওলামা মোমেনশাহী’র সেক্রেটারি জামিয়া আরাবিয়া মিফতাহুল উলুম মাদরাসার শাইখুল হাদিস মাওলানা আহমদ আলী বলেন, আজরাবাদের সম্মেলনের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার যদি না করা হয় তাহলে একই আচরণের শিকার হবে অন্যজন। দ্রুত বিষয়টি সুরাহা হোক।

মাওলানা মুখলেসুর রহমান কাসেমী বলেন, এই স্বীকৃতির জন্য অাল্লামা শাইখুল হাদিস অাজিজুল হক রহ. মুক্তাঙ্গনে পাঁচদিন অবস্থান করেনছেন। আমরাও দারুল উলুম দেওবন্দের উসূলে হাশতেগানা অনুযায়ী সরকার নিয়ন্ত্রণমুক্ত স্বীকৃতি চাই।

শেরপুর তেরাবাজার মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান বলন, বেফাকের সিনিয়র সহসভাপতিকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে আমরা শেরপুরবাসী এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

কিশোরগঞ্জ জামিয়া নূরানিয়া তারাপাশা মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা অাবুল বাশার বলেন, সরকার কর্তৃক স্বীকৃতিতে যেন কওমির মাদরাসার ঐতিহ্য নষ্ট না হয়।

খাগডহর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা তাজুল ইসলাম বলেন, বেফাককে রাজনীতিমুক্ত করতে হবে এবং অারজাবাদ মাদরাসার ঘটনার ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর অান্দোলন গড়ে তোলতে হবে।

তানযীমের সেক্রেটারি মাওলানা শফিকুর রহমান জালালাবাদী’র উপস্থাপনায় সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের গহরপুর মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু, ময়মনসিংহ ভারেরা মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আমিনুল হক, কমলপুর মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা শওকত অালী, ইসলামপুর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা নুরুল আলম, নেত্রকোনা থেকে মাওলানা শফিউল্লাহ, মাওলানা আসাদুর রহমান ও মাওলানা মুনতাসির আল মামুন, বেতিয়ার কান্দি মাদরাসার মাওলানা উবায়দুল্লাহ আনোয়ার, শেরপুর থেকে মাওলানা সিদ্দিক, বাজিতপুরের  মাওলানা আ. সাত্তার , পাকুন্দিয়ার মুফতি মোহাম্নাদ আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের ৩ প্রস্তাবনা ও মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ’র বক্তব্য আসছে…

আরো পড়ুন

ওলামা সম্মেলন শুরু; জড়ো হচ্ছেন বৃহত্তর ময়মনসিংহের আলেমরা