কওমী মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থার স্বীকৃতি বাস্তবায়নের লক্ষে ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার কমিটির একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে। সদ্য ঘোষিত এ কমিটি’র ৯ জন সদস্যের অন্যতম সদস্য কিশোরগঞ্জ জামিয়া ইমদাদিয়ার মুহতামিম মাওলানা আযহার আলী আনওয়ার শাহ। আজ চট্টগ্রামে দারুল উলূম হাটাহাজারী মাদ্রাসা মহাপরিচালকের কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বেফাক। সে বৈঠকে যোগদান উপলক্ষে সফরের পূর্ব মুহূর্তে ৯ সদস্যের কমিটি ও স্বীকৃতি বিষয়ে তিনি তার মন্তব্য তোলে ধরেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- আমিন আশরাফ
আওয়ার ইসলাম: কমিটিতে আপনি আছেন, জেনে ভালো লাগলো, আপনি এই বিষয়ে কী ভাবছেন?
মাওলানা আনওয়ার শাহ: এ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র আমার কাছে আসেনি। তবে আমার ভাবনা এটাই, সরকার আমাদের কারিকুলামে কোনো প্রকারের হস্তক্ষেপ না করে। আমরা আগের মতোই স্বাধীনভাবে আমাদের কাজ করে যাবো। আর দাওরায়ে হাদীসের যে সনদ আছে সেটা যেন মার্স্টাসের মান পায় ধর্মবেত্তা হিসাবে। ইঞ্জিনিয়ারের সার্টিফিকেটের যেমন স্বীকৃতি আছে, ডাক্তারের সনদের যে ধরনের স্বীকৃতি রয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে আমরা দাওরায়ে হাদীসের ছাত্রদের মার্স্টাসের মান পাইয়ে দেওয়া।
আওয়ার ইসলাম: সবগুলো র্বোড আছে। বেফাকের প্রতিনিধি হিসেবে আপনাকে এবং ফরিদাবাদের মুহতামিম মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসকে দেখা যাচ্ছে, তো দুজনই কী যথেষ্ট?
মাওলানা আনওয়ার শাহ: দুজনকে যে করা হয়েছে সেটা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে করা হয়নি। যে কারণে আমি এখন ঢাকা রওয়ানা হচ্ছি। আগামীকাল সকাল সাতটার ফ্লাইটে আমি চট্রগ্রাম যাচ্ছি। আরো অনেকেই যাচ্ছেন। আহমদ শফী সাহেব ফোন করে আমাদের কজনকে তার ওখানে ডেকেছেন। আমরা সেখানে বৈঠক করে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আপনাদের জানাতে পারবো।
আওয়ার ইসলাম: এই কমিটি কতটা কওমি শিক্ষার র্স্বাথ রক্ষা করতে পারবে বলে আপনি মনে করেন?
মাওলানা আনওয়ার শাহ: দেখেন, উলামায়ে কেরাম খুবই এর বিপক্ষে। আর সরকার ভাবসাব বলে দিচ্ছে তাà¦