বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৭

মুহিউদ্দীন খানের নামে যাদুঘর করার পরিকল্পনা

OURISLAM24.COM
জুলাই ২৬, ২০১৬
news-image

khan akademi

আওয়ার ইসলাম: মাসিক মদীনার সম্পাদক, বিশ্ব বরেন্য মনীষা, জ্ঞানতাপস আল্লামা মুহিউদ্দীন খান রহ. স্মৃতিবিজড়িত ঢাকার গেন্ডারিয়ার নিজ বাসভবনে মুহিউদ্দীন খান একাডেমির কার্যনির্বাহী কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মোস্তফা মঈনুদ্দীন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাসিক মদীনার বর্তমান সম্পাদক আহমদ বদরুদ্দীন খান।

আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন মুর্তাজা বশিরুদ্দীন খান, সৈয়দ আনোয়ার আব্দুল্লাহ, খলিফায়ে মাদানী শায়েখ গুনুইর সাহেবজাদা শাহ সালেহ আহমদ, আবিদ রহমান, গোলাম রব্বানী প্রমুখ।

শোকার্ত খান দুই ছেলে পিতার শুভাকাংক্ষিদের পেয়ে বাবার নানা ম্মৃতিচারণ করেন। আবেগ আর পিতার ম্মৃতিচারণে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তারা মুহিউদ্দীন খান একাডেমি পরিচালনার লক্ষে নানান পরার্মশ, প্রস্তাব ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

প্রতিবছর ‘মুহিউদ্দীন খান সাহিত্য পদক’ চালু, বাংলাবাজার মদীনা ভবনে মুহিউদ্দীন খান রহ. এর নামে জাদুঘর ও নিজস্ব মিলনায়তন গড়ে তোলাসহ বাবাকে নিয়ে নানান পরিকল্পনা তুলে ধরেন বড় ছেলে মোস্তফা মুঈনুদ্দীন খান।

মুহিউদ্দীন খান রহ উপর মাসিক মদীনা আগামী তিনটি সংখ্যা বিশেষ সংখ্যা হিসাবে প্রকাশ করার এবং মদীনা ও মুহিউদ্দীন খান একাডেমি সংগ্রহিত দেশ বিদেশের লেখকদের প্রবন্ধ দিয়ে বৃহৎ কলরবে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করা হবে। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মিশরের আল আজহার ইউনির্ভাসিটি, মদীনা উম্মুল ক্বোরা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের সেরা পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মুহিউদ্দীন খানের জীবনের উপর পিএইচডি গবেষনা কোর্স চালুর স্বীকৃতির ব্যাপারে পাঠানো আবেদন ও তাদের আশ্বাসের ব্যাপারে আলোকপাত করেন, মাসিক মদীনার সম্পাদক আহমদ বদরুদ্দীন খান।

আগামী আগষ্ট মাসে দেশব্যাপি ‘মুহিউদ্দীন খান ও মাসিক মদীনা’ শীর্ষক প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার বিষয়ে এবং ঢাকায় জাতীয় সেমিনারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনাসহ একাডেমির নানান পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।

বৈঠকে অনন্যদের মাঝে উপস্তিত ছিলেন, মোহাম্মদ মোজাহিদ আহমদ, মাওলানা আবিদুর রহমান, আব্দুল্লাহ মাহমুদ, মুজাক্কির আহমদ শিহাব সহ মুহিউদ্দীন খান একাডেমির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলবৃন্দ। বৈঠক শেষে খান সাহের স্মৃতিবিজড়িত বিচানাপত্র, চেয়ার টেবিল, পদক রুম ঘুরে ঘুরে দেখে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন খান সাহেবের রক্তজ ও আত্মাজ সন্তানরা।

আরআর